গঠনতন্ত্র
নবাবগঞ্জ রক্তসেবা
সংগঠনের আনুষ্ঠানিক গঠনতন্ত্র ও নিয়মাবলী
1১. সংগঠনের পরিচিতি
১.১ সংগঠনের নাম: এই সংগঠনের নাম হবে "নবাবগঞ্জ রক্তসেবা" (Nawabganj Roktosheba)।
১.২ সংগঠনের কার্যালয়: সংগঠনের প্রধান কার্যালয় নবাবগঞ্জ উপজেলা, জেলা- দিনাজপুর এর সুবিধাজনক স্থানে অবস্থিত হবে। (প্রয়োজনে ঠিকানা পরিবর্তনযোগ্য)।
১.৩ কর্ম এলাকা: প্রাথমিকভাবে সংগঠনের কর্ম এলাকা হবে দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলা। তবে সমাজসেবা অধিদপ্তরের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে এর পরিধি সারা বাংলাদেশে সম্প্রসারণ করা যাবে।
১.৪ সংগঠনের প্রকৃতি: এটি একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক, স্বেচ্ছাসেবী ও জনকল্যাণমূলক সমাজ উন্নয়ন সংস্থা।
১.৫ আইনি ভিত্তি: এই সংগঠনটি "The Voluntary Social Welfare Agencies (Registration and Control) Ordinance, 1961" এবং তৎসংশ্লিষ্ট বিধিমালার আওতায় নিবন্ধিত ও পরিচালিত হবে
2২. লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য হবে সমাজের অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণ সাধন এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে সহায়তা করা। প্রধান কার্যাবলী নিম্নরূপ:
• নবাবগঞ্জ উপজেলা ও আশেপাশের এলাকার মানুষের জরুরি রক্তের প্রয়োজনে সহযোগিতা প্রদান করা এবং প্রয়োজনে রক্তদাতা নিশ্চিত করা।
• বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম যেমন বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম এবং সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে পরিচালিত সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা।
• প্রাকৃতিক দুর্যোগ (বন্যা, শীত, ঝড় ইত্যাদি) চলাকালীন সময়ে ত্রাণ সামগ্রী সংগ্রহ ও বিতরণের ব্যবস্থা করা।
• অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা।
• অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা।
• বিভিন্ন শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রমের মাধ্যমে নবাবগঞ্জ এলাকার শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করা।
• মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা সহায়তা প্রদান করা।
• কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান ও তাদের উৎসাহিত করা।
3৩. সদস্যপদ (Membership)
৩.১ সাধারণ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা: ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের যেকোনো সুস্থ ও বিবেকবান বাংলাদেশী নাগরিক (বিশেষ করে নবাবগঞ্জ উপজেলার অধিবাসী), যিনি এই গঠনতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং স্বেচ্ছাশ্রমে আগ্রহী, তিনি সংগঠনের সদস্য হতে পারবেন।
৩.২ সদস্যপদের প্রকারভেদ:
• সাধারণ সদস্য
• আজীবন সদস্য
• দাতা সদস্য
• সম্মানিত বা উপদেষ্টা সদস্য
৩.৩ সদস্যপদ বাতিল: সংগঠন বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত হলে, সমাজসেবামূলক কাজে অনীহা প্রকাশ করলে কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে সদস্যপদ বাতিল বলে গণ্য হবে।
4৪. সাংগঠনিক কাঠামো
সংগঠনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য মোট ৩টি পর্ষদ থাকবে:
৪.১ সাধারণ পরিষদ (General Council)
সংগঠনের সকল সাধারণ সদস্যকে নিয়ে এই পরিষদ গঠিত হবে। এটি সংগঠনের সর্বোচ্চ ক্ষমতাপ্রাপ্ত পর্ষদ এবং বার্ষিক সাধারণ সভায় (AGM) এই পরিষদের সদস্যরা ভোটদানের অধিকার প্রয়োগ করবেন।
৪.২ কার্যনির্বাহী পরিষদ (Executive Council)
সাধারণ পরিষদের সদস্যদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভোটে/সম্মতিতে কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হবে।
• সভাপতি: ১ জন
• সহ-সভাপতি: ১ জন
• সাধারণ সম্পাদক: ১ জন
• যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক: ১ জন
• কোষাধ্যক্ষ: ১ জন
• সাংগঠনিক ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: ১ জন
• দপ্তর সম্পাদক: ১ জন
• কার্যকরী সদস্য: ২/৪ জন
মেয়াদ: কার্যনির্বাহী পরিষদের মেয়াদ হবে ২ (দুই) বছর।
৪.৩ উপদেষ্টা ও নীতিনির্ধারণী পরিষদ (Advisory & Policy Council)
• গঠন: এটি সংগঠনের একটি উচ্চকক্ষ হিসেবে বিবেচিত হবে। সংগঠনের প্রাক্তন সভাপতিবৃন্দ এবং সাধারণ পরিষদ কর্তৃক মনোনীত বিশিষ্ট, অভিজ্ঞ ও প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যদের (যেমন: প্ল্যাটফর্মের মূল কারিগরি ও সাংগঠনিক উদ্যোক্তাগণ) সমন্বয়ে এই পরিষদ গঠিত হবে।
• ক্ষমতা ও কার্যাবলী (ভেটো ক্ষমতা): এই পরিষদ মূলত সংগঠনের অভিভাবক ও সর্বোচ্চ পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করবে। কার্যনির্বাহী কমিটি স্বাধীনভাবে কাজ করলেও তাদের গৃহীত কোনো সিদ্ধান্ত বা কার্যক্রম যদি সংগঠনের মূল লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, গঠনতন্ত্র অথবা জনস্বার্থের পরিপন্থী বলে এই পরিষদের কাছে প্রতীয়মান হয়, তবে তারা উক্ত সিদ্ধান্তের ওপর ভেটো (Veto) প্রয়োগ করতে পারবে। ভেটো প্রয়োগ করা হলে কার্যনির্বাহী কমিটির উক্ত সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে স্থগিত বা বাতিল বলে গণ্য হবে।
• কার্যপ্রণালী: ভেটো প্রয়োগ বা কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে উপদেষ্টা পরিষদের উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের প্রয়োজন হবে।
• মীমাংসা: কার্যনির্বাহী কমিটি এবং উপদেষ্টা ও নীতিনির্ধারণী পরিষদের মধ্যে কোনো বিষয়ে গুরুতর মতবিরোধ দেখা দিলে, বিষয়টি সাধারণ পরিষদের (General Council) বিশেষ সাধারণ সভায় (EGM) উত্থাপন করতে হবে এবং সেখানে উপস্থিত দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
5৫. দায়িত্ব ও কর্তব্য
৫.১ সভাপতি (President)
• সংগঠনের প্রধান হিসেবে সকল সভা ও অধিবেশনে সভাপতিত্ব করা।
• সংগঠনের প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাজের তদারকি করা।
• গঠনতন্ত্রের ধারা অনুযায়ী সংগঠনের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করা।
৫.২ সাধারণ সম্পাদক (General Secretary)
• সংগঠনের প্রধান নির্বাহী হিসেবে যাবতীয় দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করা।
• কার্যনির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া।
• সংগঠনের পক্ষ থেকে চিঠিপত্র আদান-প্রদান এবং বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করা।
৫.৩ কোষাধ্যক্ষ (Treasurer)
• সংগঠনের যাবতীয় আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণ করা।
• ব্যাংক হিসাব পরিচালনা এবং সঠিক সময়ে অডিট সম্পন্ন করা।
• আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে মাসিক সভায় হিসাব উপস্থাপন করা।
৫.৪ সাংগঠনিক ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক (Organizing & Tech Secretary)
যেহেতু আপনাদের একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও অ্যাডমিন ড্যাশবোর্ড রয়েছে, এই পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
• প্ল্যাটফর্ম ব্যবস্থাপনা: আপনাদের তৈরি করা লোকেশন-ভিত্তিক ব্লাড ডোনার ওয়েবসাইট বা অ্যাপের টেকনিক্যাল রক্ষণাবেক্ষণ তদারকি করা।
• ডেটাবেস আপডেট: নিয়মিত নতুন রক্তদাতাদের তথ্য প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা এবং তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
• সংগঠন বিস্তার: নতুন সদস্য সংগ্রহ এবং সংগঠনের শাখা বা ইউনিট গঠনে সমন্বয় করা।
৫.৫ দপ্তর সম্পাদক (Office Secretary)
• সংগঠনের যাবতীয় নথি, রেজুলেশন খাতা এবং রেকর্ড ফাইল সংরক্ষণ করা।
• সভার নোটিশ প্রদান এবং সভার কার্যবিবরণী (Minutes) লিপিবদ্ধ করা।
• সংগঠনের কার্যালয় এবং আসবাবপত্রের রক্ষণাবেক্ষণ করা।
৫.৬ প্রচার ও জনসংযোগ সম্পাদক (Publicity Secretary)
• জরুরি রক্তের প্রয়োজনে সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্যান্য মাধ্যমে প্রচারণা চালানো।
• সংগঠনের সেবামূলক কার্যক্রমগুলো (যেমন: চক্ষু শিবির, শীতবস্ত্র বিতরণ) জনসাধারণের কাছে তুলে ধরা।
• সংবাদমাধ্যম এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা।
৫.৭ কার্যকরী সদস্য (Executive Members)
• সংগঠনের বিভিন্ন উপ-কমিটিতে দায়িত্ব পালন করা।
• সভাগুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে মতামত প্রদান এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করা।
6৬. তহবিল ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা
৬.১ তহবিল গঠন: সদস্যদের মাসিক/বাৎসরিক চাঁদা, আজীবন ও দাতা সদস্যদের এককালীন অনুদান, সরকারি-বেসরকারি সাহায্য এবং বৈধ দান/যাকাত ইত্যাদি মাধ্যমে তহবিল গঠিত হবে।
৬.২ ব্যাংক হিসাব পরিচালনা: সংগঠনের নামে যেকোনো তফসিলি ব্যাংকে একটি চলতি/সঞ্চয়ী হিসাব খোলা হবে। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ—এই তিনজনের স্বাক্ষরে ব্যাংক হিসাব পরিচালিত হবে। তবে টাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে কোষাধ্যক্ষের স্বাক্ষরসহ যেকোনো দুজনের যৌথ স্বাক্ষরে লেনদেন করা যাবে।
৬.৩ হিসাব নিরীক্ষা (Audit): প্রতি অর্থবছর শেষে সরকার অনুমোদিত কোনো অডিট ফার্ম অথবা সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত নিরীক্ষক দ্বারা সংগঠনের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিরীক্ষা করাতে হবে।
7৭. সভাসমূহ (Meetings)
• মাসিক সভা: কার্যনির্বাহী কমিটির মাসে অন্তত একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। কোরামের জন্য এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।
• বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM): বছরে অন্তত একবার সাধারণ পরিষদের সব সদস্যকে নিয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বার্ষিক আয়-ব্যয় এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুমোদন করা হবে।
• বিশেষ সাধারণ সভা (EGM): জরুরি প্রয়োজনে বা গঠনতান্ত্রিক সংকট (যেমন- ভেটো সংক্রান্ত মতবিরোধ) দেখা দিলে সাধারণ পরিষদের বিশেষ সভা ডাকা যাবে।
8৮. কনফ্লিক্ট ম্যানেজমেন্ট বা বিরোধ মীমাংসা
সংগঠনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও সংহতি বজায় রাখার জন্য নিম্নোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে:
৮.১ অভ্যন্তরীণ আলোচনা: সদস্যদের মধ্যে কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা বিরোধ সৃষ্টি হলে তা প্রথমে কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করা হবে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এখানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করবেন।
৮.২ উচ্চতর মীমাংসা: যদি কার্যনির্বাহী কমিটি কোনো বিরোধ সমাধান করতে ব্যর্থ হয়, তবে বিষয়টি উপদেষ্টা ও নীতিনির্ধারণী পরিষদে (উচ্চকক্ষ) প্রেরণ করা হবে। তাদের বিজ্ঞ পরামর্শ ও সিদ্ধান্ত উভয় পক্ষ মানতে বাধ্য থাকবে।
৮.৩ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: যদি উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্তে কোনো পক্ষ সন্তুষ্ট না হয় বা বিরোধটি সংগঠনের কাঠামোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তবে সাধারণ পরিষদের একটি বিশেষ সভা (EGM) ডাকা হবে। সেখানে উপস্থিত সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের মাধ্যমে নেওয়া সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
৮.৪ শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা: কোনো সদস্য ইচ্ছাকৃতভাবে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করলে বা দলাদলিতে লিপ্ত হলে কার্যনির্বাহী কমিটি তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করতে পারবে এবং প্রয়োজনবোধে সদস্যপদ স্থগিত করতে পারবে।
9৯. নির্বাচন প্রক্রিয়া ও নির্বাচন কমিশন
৯.১ নির্বাচন কমিশন: কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ৪৫ দিন আগে উপদেষ্টা পরিষদ ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি স্বতন্ত্র নির্বাচন কমিশন গঠন করবে। এই কমিশনের সদস্যরা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।
৯.২ ভোটার তালিকা: নির্বাচনের অন্তত ৩০ দিন আগে একটি হালনাগাদ ও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
৯.৩ নির্বাচন পদ্ধতি: গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে স্বচ্ছ ব্যালট বা সম্মতির ভিত্তিতে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হবে।
10১০. গঠনতন্ত্র সংশোধন ও সংগঠনের বিলুপ্তি
১০.১ সংশোধন: সময়ের প্রয়োজনে গঠনতন্ত্রের কোনো ধারা সংযোজন বা বিয়োজন করতে হলে সাধারণ পরিষদের সভায় উপস্থিত সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে তা পাস হতে হবে এবং সমাজসেবা কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে।
১০.২ বিলুপ্তি: যদি কোনো অনিবার্য কারণে সংগঠনটি বিলুপ্ত করার প্রয়োজন হয়, তবে সাধারণ পরিষদের তিন-চতুর্থাংশ সদস্যের সিদ্ধান্তে তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা যাবে। বিলুপ্তির পর সংগঠনের সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি সমাজসেবা অধিদপ্তরের অনুমোদনক্রমে সমজাতীয় অন্য কোনো সংগঠনের বা সরকারি কোষাগারে হস্তান্তর করা হবে।