তথ্য ও জিজ্ঞাসা

  • আগের রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান এবং ১-৪ ঘণ্টা আগে আয়রনসমৃদ্ধ হালকা খাবার খান
  • স্বাভাবিকের চেয়ে ২-৩ গ্লাস বেশি পানি পান করুন
  • জ্বর বা সর্দি থাকলে রক্তদান করবেন না
  • ১০-১৫ মিনিট বিশ্রাম নিন, হঠাৎ উঠবেন না
  • পরের ২৪-৪৮ ঘণ্টা বেশি পানি, ফলের রস বা স্যুপ পান করুন
  • ২৪ ঘণ্টা ভারী কাজ এবং অ্যালকোহল এড়ান

পুরুষরা প্রতি ৩-৪ মাস (৯০-১২০ দিন) পর এবং মহিলারা প্রতি ৪-৬ মাস পর রক্তদান করতে পারবেন।

  • নারীদের মাসিক ঋতুস্রাবের ফলে নিয়মিত রক্তক্ষরণ ও আয়রনের ঘাটতি হয়, যা পুরুষদের তুলনায় বেশি
  • তাই নারীদের রক্ত পুনরুদ্ধারে ৪-৬ মাস এবং পুরুষদের ৩-৪ মাস লাগে

প্লেটলেট বা প্লাজমা (অ্যাফেরেসিস) ১৫-৩০ দিন পর দান করা সম্ভব।

  • না, সম্পূর্ণ গর্ভকালে এবং প্রসব বা গর্ভপাতের পর ৬ মাস পর্যন্ত রক্তদান নিষিদ্ধ
  • স্তন্যদানকারী মায়েরাও রক্তদান করতে পারবেন না
  • মাসিক চলাকালীন ও শেষের ৭ দিন পর্যন্ত রক্তদান নিষিদ্ধ (হিমোগ্লোবিন ১১.৫ গ্রাম/ডিএল-এর বেশি হতে হবে)
  • ৪-৬ মাস ব্যবধান রাখা এবং আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি
  • অ্যান্টিবায়োটিক কোর্স শেষের পর ৭-১৪ দিন অপেক্ষা করতে হয়
  • অ্যাসপিরিন/এনএসএআইডি শেষ ডোজের পর ৩-৭ দিন এবং প্যারাসিটামল খাওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর রক্তদান করা যায়

সাধারণ অ্যান্টিভাইরাল ওষুধের কোর্স শেষের পর ৭-১৪ দিন এবং ডেঙ্গু/কোভিড-১৯ চিকিৎসায় সুস্থতার পর ৬ মাস অপেক্ষা করা উচিত।

  • টিবির ওষুধের পূর্ণ চিকিৎসার পর ২৮ দিন বা তার বেশি অপেক্ষা করতে হবে
  • রক্ত পাতলাকারী ওষুধ খেলে ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া রক্তদান নিষিদ্ধ

ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়া থেকে সম্পূর্ণ সুস্থতার পর ৬ মাস, টাইফয়েডের পর ১২ মাস এবং ম্যালেরিয়া সেরে ওঠার ৩ সপ্তাহ পর রক্তদান করা যাবে।

যক্ষ্মা (টিবি) সেরে ওঠার পর ২ বছর, কিডনি সংক্রমণের ওষুধ শেষের ৬ মাস এবং যেকোনো বড় অস্ত্রোপচারের পর সুস্থতার ৬ মাস পর রক্তদান করা যাবে।

হেপাটাইটিস বি/সি, এইচআইভি, কুষ্ঠ, লিশমেনিয়াসিসে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে চিরকাল রক্তদান নিষিদ্ধ।